পোবনিউজ২৪, ঢাকা ১ মার্চ ২০২৬ : বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা রোববার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামানের সঙ্গেও নিজ নিজ কার্যালয়ে পৃথক পৃথক সাক্ষাৎ করেন ।
এ সময় প্রণয় ভার্মা দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক বিষয়সমূহ পারস্পরিক কল্যাণ ও পারস্পরিক সংবেদনশীলতার ওপর ভিত্তি করে সকল ক্ষেত্রে জনগণ-কেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে একসাথে কাজ করার ব্যাপারে ভারতের আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য যে, ভারত বাংলাদেশের পাশ্ববর্তী বন্ধু রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে ভারত বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা না করলে দেশটি স্বাধীন হতো না।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মিত্র বাহিনীর ভূমিকা রাখতে ভারতকে হারাতে হয়েছিল বহু অফিসার ও সৈনিককে। ১৯৭১ সালে পুর্ব ও পশ্চিম রণাঙ্গন মিলে শহীদ ভারতীয় সৈন্যের সংখ্যা ৩৬৩০ জন, নিখোঁজ ২১৩ জন এবং আহত ৯৮৫৬ জন। যাঁদের রক্ত এই স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে মিশে রয়েছে। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের ভূমিকা অবিস্মরণীয়।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল। জানা যায়, নভেম্বর ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশের মোট শরণার্থী ছিল ৯৮,৯৯,৩০৫ জন। এর মধ্যে অধিকাংশ শরণার্থী সরকারনিয়ন্ত্রিত শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তবে বেশ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শরণার্থী বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের বাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। তবে সবচাইতে বেশি শরণার্থী ক্যাম্প ছিল পশ্চিমবাংলায় ৪৯২ টি, ত্রিপুরা রাজ্যে ২৭৬ টি, এসব জায়গা ছাড়াও আসাম, মেঘালয়, বিহার এবং ভারতের উত্তরপ্রদেশে শরণার্থী ক্যাম্পগুলো অবস্থিত ছিল। যেখানে প্রচুর পরিমাণে বাংলাদেশি শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছিলেন।






